সব কথা হয়ত পরিণতি পাবে না, তা অনস্বীকার্য্য । কোথায় বিক্রি হয় শব্দ, কে দেয় দাম, কারই বা আছে কেনবার দায় । এ সব কথা বিকেলের আলোচনার জন্য তোলা থাক । তাত্ত্বিকেরা ভেবে দেখুক, তুমি সতী না অসতী, তাতে আমার কিছু এসে যায় না । আমি শুধু, খুব কাছ থেকে দেখব তোমায়, এই তথ্য নিজেকে বলে, শব্দ সাজাতে থাকি । তোমায় উপহার দিই নিশ্চয়তা, সামাজিক অভিমান, যাতে তুমি নিজের মত দাম মেটাতে পারো । চলো নিঊ মার্কেটে যাই, আজ সেখানে রতি অপেক্ষা করে আছে । ও আজও উপোস করেনি, কারণ তুমি প্রস্তুত নও ।
সমবায়িকায়
তুমি জেনেছ ভালবাসার তুল্যমূল্য বিচার
অসাড়
কোনও সমিতির প্রস্তাবনায় ছিল না এ কথা
তার
পরেও তোমার সূক্ষ্মবিচার, তুমি জানবেই
কোথায়
রাখা আছে যক্ষ্মপুরীর রত্নভাণ্ডার ।
প্রেমহীন
কোনও বাস্তবে নয়, যেখানে স-তলে সৃষ্টি হয় হীরক
সে
কালবিহীন সমন্বয়ে তুমি অনায়াস মণিকর্ণিকায়
শেষ
বিচার করেছ প্রিয় বন্ধুর
তার
জন্মগত শেষকৃত্যে অধিকার
অন্তহীন
দ্বেষ পেরিয়েও তুমি একইরকম নির্বিকার ।
এরকমই
হওয়ার ছিল, আমায় অনায়াসে বলেছ তুমি
চলে
যাওয়ার কোনও বিশেষ মূহুর্ত্ত হয় না ।
যে
কোনও লহমায় সহজে ফিরে আসা যায়
অনামিকায়
ধারণ করি স্মৃতিবিজড়িত হলুদ পাথর
জানি,
এ সবই অপাংক্তেয়, তাও বলি
এর
পরের বার আমাকে জানিও
যে
মোহসপ্তমীতে রেখেছ সুর
আমায়
নিও নভোমধ্যে
আমারই
শেষকৃত্য
আমার
জন্মগত অধিকার ।
শেষ
স্বপ্নের যবনিকাপতন, মনে হয়, এখনি হওয়ার কথা ছিল, চলো রাত হয়
ত্রিভুজ
মুদ্রায় তুমি ধরেছিলে গোলাপী আঁচল
মুদ্রা
গভীর গহ্বরে শান্ত যন্ত্রনা নিয়ে
তোমায়
কেঊ দেখতে পায় নি, উজ্জ্বল মঞ্চের সাঁঝবেলায়
তারপরেও
তুমি চেয়েছিলে অশান্ত ঈশান কোনে সিঁদুরে সঙ্কেত
নীল
বেনারসী পড়ে মণিকর্ণিকায় ।
তোমার
আশায় কালো ধোঁয়া আর মৃতের সুঘ্রাণ
দশ্বাশ্বমেধের সন্ধ্যারতি, তুমি , সুচিত্রা।
আমি
এক অদৃশ্য ভেলায়, দেয়াল পেড়িয়ে দুইপাশে
নীল
আর গোলাপী বেনারসী পড়ে, তুমি ।
সাগর
পেরিয়ে সত্যবতী সেদিন পা ধুচ্ছিল,
ভাঙা
নৌকায়,
আমি ।
Canto 1: Scene 15

No comments:
Post a Comment