এ যাবৎ ভেবে দেখিনি, যে কাজ, তার কর্মফল কোথায় নিয়ে যেতে পারে আমায় । সাফল্যের সুউচ্চ প্রাসাদ আমার অধিকার, তার পরেও কোথাও বাকী রয়ে যায় কাঞ্চনসুবর্ণ । তার থেকে চলো, চলে যাই কোনো বনান্তরে, যেখানে এখনো হিংস্র প্রবৃত্তির সহাবস্থান। খুঁজে দেখি আশীবিষচূর্ণ, চোখের তারায় ভেসে উঠুক জ্যোৎস্না ।
সন্ধ্যাবেলায় শুধু আশঙ্কা আগে ডাকে
বিহাগ
রাগ দিয়ে লেখা কিছু শব্দ
আর
সরযূ নদীর তীরে পুরনো শিবমন্দির
অস্পষ্ট
স্মৃতিচিহ্ন,
সেদিন সকালের মত ।
আজান ভেসে আসে, এদিনের কাহিনী আপন মনেই ফুরোয়
শেষ
নেই এই অবিরাম যাওয়া-
আসার
মেঘ
বৃষ্টির নামান্তর
আরো
দূরে কোনও মজলিস ।
এ
বছর হয়ত আর যাওয়া হবে না বাউল মেলায়
সামনের
বছর আগেই চলে গেছে
বৃক্ষ
তাঁর নিজস্ব সুচিন্তনে
নদীর
বুকে আলোছায়া
তুমি
আর আমি
স্বর্ণযুগের
প্রেমিক প্রেমিকা
আমাদের
রাত শেষ হয়
নিঃসীম
দিনযাপন
।
অন্যকথা
আজ
এত একা লাগে
আকাশগঙ্গাও
মনে হয় নিজেকে অচেনা
রূপ
রঙ আলো
তার
ও দিনরাত অযথা
এ
সময় জানে
তোমার
গহীন অস্মিতা ।
নির্জনে অবকাশে নুপূর পরা পায়ে
আমাদের
বাড়িতে রাতির মনে পড়া
সেঁজুতি
চয়নে স্নিগ্ধ আবেশ
সেদিন
তুমি অস্পষ্ট আনমনে
তোমায়
দেখতে চেয়ে অযান্ত্রিক পথচলা ।
তুমি
তাও জেনেছিলে,
আমি
কখনোই চাই নি যে তুমি
এভাবে
নিজেকে অজানায় হারাও
হিমশীতল
রাতে
তুমি
তাও জেনেছিলে
আমাকেই
অজানা কোনও সুরে ।
Canto 1: Scene 10

No comments:
Post a Comment